“রাখে আল্লাহ মারে কে” !


শৈশবকাল থেকে শুনে এসেছি “রাখে আল্লাহ মারে কে” আর “হায়্যাত থাকতে মরে কেমনে” নিভৃত বানী দুটি! সময়ের পরিক্রমায় এমনি এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে দেশের উত্তর জনপদের ঐতিহাসিক জেলা দিনাজপুরে।জেলার কোতয়ালী থানার পৌর শহরের সুইহাড়ি এলাকার নষ্ট আবর্জনার ফালানোর ডাস্টবিনের গর্তে অর্ধেক পুতে রাখা অবস্থায় সদ্য ভূমিস্ট হওয়া নবজাতক শিশুকে।হয়ত আমাদের ঘুনে ধরা নস্ট সমাজের মুখ ও মুখোশের আড়ালে কোন ভন্ড ইবলিশ এই শিশুর পিতা আর শিশুটির মা সমাজের গড্ডালিকা প্রবাহে নীল দুনিয়াতে রঙ্গলীলার আধুনিক ফ্যান্টাসি দ্রোপদী না হলে একজন গর্ভধারিনী মা কখনো নয় মাস কষ্ট গর্ভে ধারন করে ভূমিস্ট হওয়ার পর ডাশবিনে ফেলে যাওয়ার কথা নয়।

সদ্য ভূমিস্ট হওয়া নিস্পাপ মেয়ে শিশুটি তার বাবা-মায়ের ফ্যান্টাসি ভালোবাসার পাপ আর নিস্পাপ শিশুটির বেচে থাকা সমাজ পরিবার অভিশাপ মনে করে হয়তঃডাসবিনে ফেলে দিয়ে শিশুটির মৃত্য নিশ্চিত করে শাপমুক্ত হতে চেয়ে ছিল বলে আমরা মনে করতে পারি আসলে এই বিজয়ের মাসে ঘুনে ধরা নস্ট সমাজের মুখ ও মুখোশের কালো চশমা খুলে দিতে আবর্জনার মাটি ফুরে বিজয়ী অভিষেক নবজাতক মেয়ে শিশুটির ।

দিনাজপুর শহরে আবর্জনার স্তূপ থেকে এক নবজাতক মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, রোববার মধ্যরাতে শহরের পাটুয়াপড়া এলাকার একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে বালুচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল।
জানা যায়, ১৭ ডিসেম্বর রাতে আহনার হাবীব নামে এক যুবক শিশুটিকে গর্তে পুঁতে রাখা অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। গভীর রাতে বাসায় ফেরার পথে শিশুর কান্নার শব্দ শুনে হাবীব রাস্তায় দাঁড়িয়ে যায়। একটু খোঁজাখুঁজি করতেই একটি খালের আবর্জনার স্তূপে শিশুটিকে দেখতে পায়।

নবজাতকটির গায়ে কোনো কাপড় না থাকায় দিনাজপুরের কনকনে শীতের রাতে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় শিশুটি শুধুই কাঁপছিল। তীব্র শীতে কাবু শিশুটি মাঝে মধ্যে কুঁকড়ে কেঁদে ওঠে। শিশুটিকে উদ্ধার করে আহনার হাবীব তার নিজের গায়ের গরম কাপড় দিয়ে শিশুটিকে জড়িয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় তার সাথে জাকির হোসেন নামে আরো এক বন্ধু ছিল।

সেখান থেকে সে তার বাবাকে এবং পুলিশকে বিষয়টা অবগত করে। আহনার হাবীব জানায়, কনকনে এ শীতে শিশুটির শরীরে কোনো কাপড় ছিল না। শরীরের নিচের অর্ধেক মাটিতে পোঁতা ছিল। দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা: হালিমা সরকার জানান, শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। এখানেই তার নাড়ি কাটার পর চিকিৎসা দেয়া হলে অল্প সময়ের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠে।

হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার সাবিনা ইয়াসমিন শিশুটিকে সযত্নে আগলে রেখেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ দিকে অনেক নিঃসন্তান মা শিশুটিকে লালন-পালনের দায়িত্ব পাওয়ার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করেছেন। দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম বলেন, অনেকেই আবেদন করলেও শিশুটির ভবিষ্যৎ ভেবে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কার কাছে দিলে ভালো হবে। সচ্ছল ও নিঃসন্তান মায়েদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাস চাপায় ব্যবসায়ী নিহত
মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহপুর নামকস্থানে বাসের চাপায় ফিরোজ মিয়া (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘনাটি ঘটেছে। নিহত ফিরোজ মিয়া উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের আলিনগর গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে।(১১ জুলাই) স্থানীয় সূত্র জানায়, মহাসড়ক পারাপারের সময় কুমিল্লা ট্রান্সপোর্টের একটি যাত্রীবাহি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই ফিরোজ মিয়া নিহত হন।শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোঃ লিয়াকত আলী নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাস্তা পারাপারের সময় ফিরোজ মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার, জুলাই ১১, ২০১৯